মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

সময়ের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার আবশ্যক

আমাদের জীবনে মূলতঃ দুই ধরনের ঘটনা ঘটে–জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ। অর্থাৎ কিছু বিষয় থাকে এক, জরুরি আর দুই, জরুরি নয় কিন্তু গুরত্বপূর্ণ। আমাদের দিনের অধিকাংশ ফোন কলই দেখা যায় গুরুত্বপূর্ণ নয়। তারপরও বেশিরভাগ মানুষই ফোনে কথা বলতে থাকেন এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো গুরুত্বহীন। যে জিনিসগুলো গুরুত্বপূর্ণ, দেখা যাবে তার একটি ফলাফল থাকে। যদি কোন কিছু গুরুত্বপূর্ণ হয়, তখন সেটা আপনার স্বপ্নকে বাস্তবায়নে সাহায্য করবে, আপনার ভ্যালু তৈরিতে সাহায্য করবে। আপনার যে লক্ষ্য আছে সেখানে যেতে সাহায্য করবে। এর বাইরে যা তা সবই আপনার জন্য গুরুত্বহীন। যেমন–প্রতি মুহুর্তে সংবাদ দেখা কিংবা সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাট্যাস দেখা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, যারা মিডিয়াতে কাজ করেন তাদের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আইনস্টাইন–এর কল্যাণে আমরা সবাই এই তথ্যটা এখন জানি। একজন সফলকামী মানুষের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত ও প্রতিটি সেকেন্ড খুবই মূল্যবান। যদি জীবনে উন্নতি করতে চান, প্রতিষ্ঠিত হতে চান, তবে সময় অপচয় করবেন না–কারণ জীবনটা
সময়ের সমষ্টিমাত্র। একটা দিন চলে যাওয়া মানে জীবন থেকে চব্বিশটা ঘণ্টা ঝরে যাওয়া। মোট কাজ হল, সাফল্যের রহস্য লুকিয়ে আছে সময় বিভাজনে। চব্বিশ ঘণ্টার দিনটা আপনার কাছে আট ঘণ্টা না বাহাত্তর ঘণ্টার হবে, সেটা নির্ভর করে আপনি কিভাবে সময় ব্যয় করছেন তার ওপর। কেউ সারাদিনও কাজ করে কুলিয়ে উঠতে পারে না, আবার কেউ অত সময় নিয়ে কি করবেন, ভেবে উঠতে পারে না। এই দু’পক্ষের কাছে সময় একটা বিড়ম্বনা। সময়ের সদ্ব্যবহার কি করে করবেন, তা না জানার জন্য এদের এমনটি হয়। সময় নষ্ট হওয়ার কারণ প্রধানত: তিনটি-(১) অমনোযোগ: কোন কাজ করতে যতটা সময় লাগা উচিত, আপনি অমনোযোগী হয়ে সেটা সারতে দেরি করছেন অথবা প্রয়োজনীয় উপকরণের অভাবে দেরি হচ্ছে। (২) দক্ষতা–যোগ্যতার অভাব : মনোযোগ ও প্রয়োজনীয় উপকরণ থাকা সত্ত্বেও দক্ষতা ও যোগ্যতার অভাবে কাজটি সারতে বেশি সময় নিচ্ছে। (৩) ব্যাঘাত সৃষ্টি : অন্য কেউ বা কোন মোহ আপনার কাজে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। একটি বছরের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে একজন শিক্ষার্থীর কাছে যান– যে বছরের শেষে পরীক্ষায় ফেল করেছে। একটি মাসের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে একজন মায়ের কাছে যান–নির্ধারিত সময়ের আগেই যার অপরিণত সন্তানের জন্ম হয়েছে। একটি মিনিটের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন একজনকে জিজ্ঞেস করুন–যিনি অল্পের জন্য ট্রেনে উঠতে পারেন নি। এক সেকেন্ডের গুরুত্ব বুঝতে চাইলে এমন একজনের কাছে যান–যিনি এক মুহুর্তের জন্য দুর্ঘটনার হতে থেকে বেঁচে গেছেন। শেষ কথা, সময় কারো জন্যই অপেক্ষা করে না। সুতরাং প্রতিটি মুহুর্ত থেকে সেরা কিছু অর্জনের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: