সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

জগন্নাথপুরে বস্তায় সবজি চাষে সাফল্য

জগন্নাথপুর সংবাদদাতা
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামে বর্গাচাষী সাবাজ মিয়ার আট মাস আগে শুরু করা বস্তায় সবজি চাষে সাফল্য ধরা দিয়েছে তার হাতে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে শুরু করেছিলেন বস্তায় সবজি চাষ।নিজবাড়ির আঙ্গিনায় বস্তায় মাটি গোবর ও কচুরিপানা দিয়ে মিষ্টি কুমড়ার বীজ লাগান তিনি। কয়েকদিনের মধ্যেই চারা উঠে বাড়তে থাকে মিষ্টি কুমড়ার লতা। তিনি সে সময় ৫০টি বস্তায় মিষ্টি কুমড়ার বীজ লাগান। বর্তমানে তার সাফল্য দেখে উৎসাহী হচ্ছেন গ্রামের বেকার যুবকরা।
জগন্নাথপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে প্রকৃতির যে বিরূপ অবস্থা সেক্ষেত্রে বস্তায় সবজি চাষ বিপ্লব ঘটাতে পারে। কার্তিক মাসে রোপণ করে মিষ্টি কুমড়া মাঘ মাসে বিক্রি করতে পারেন। মাত্র তিন মাসের মধ্যে কম খরচে অধিক লাভ করা যায় এ সবজি চাষে।বর্গাচাষী সাবাজ মিয়া জানান, অভাবের কারণে পড়ালেখা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি বেশি দূর। খেত খামারে কাজ করে বাবা, মা, স্ত্রী সন্তান নিয়ে কষ্ট করে জীবিকা নির্বাহ করছি। গত এপ্রিলে ফসল ডুবির পর কি করব ভেবে হতাশ হয়ে যাই। সরকারি সহায়তা ও দিনমজুরই করে সংসার চলছিল। কিন্তু মন বলছিল কিছু একটা করি। পরে কৃষি অফিসের পরামর্শে বস্তায় সবজি চাষ শুরু করি। ভাল ফলন আসায় মনটা খুশি।
জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, বস্তায় সবজি চাষে অনেক সুবিধা রয়েছে। প্রকৃতির বিরূপতার সাথে গাছগুলো স্থানান্তর করা যায়। সাবাজের সাফল্যের পর অনেক বাড়ির ছাদে আমরা বস্তায় সবজি চাষের ব্যবস্থা করেছি।কৃষি কর্মকর্তা আরো বলেন, আমরা সাবাজকে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বড় কৃষকে পরিণত করতে সহায়তা করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: