বৃহস্পতিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২  » «   রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণে বাণিজ্য : ৯ এনজিওকে তলব  » «   ত্রিদেশীয় সিরিজঃ জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে শুরু বাংলাদেশের  » «   জগন্নাথপুরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার  » «   রাজনগরে ৪ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা  » «   বানিয়াচংয়ে মাইক্রোবাস-জিপ সংঘর্ষে নিহত ১  » «   মন্ত্রীসভায় ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ আইন পাশ হবে শীঘ্রই  » «   সিলেটে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলেন ২৪৪ পুলিশ কনস্টেবল  » «   ডিপথেরিয়া মোকাবেলায় প্রায় পৌনে ৫ লাখ শিশুকে প্রতিষেধক দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  » «   সিলেট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনঃ সভাপতি লালা ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুছ  » «   অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপঃ নামিবিয়াকে গুড়িয়ে দিলো বাংলাদেশের দামাল  » «   তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা  » «   ওসমানী হাসপাতালঃ আবাসন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার অভাবে কাঙ্খিত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরা  » «   সারাদেশে ইন্টারনেটের রেট এক হওয়া উচিতঃ মোস্তাফা জব্বার  » «   স্কুলের শিশুরা পাবে দুপুরের খাবার  » «  

তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশুরা

বিশেষ প্রতিনিধি
শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমি রোগের প্রকোপও বাড়ছে। আর শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বেশি শিশুরা। ঠাণ্ডা-জ্বর রূপ নিচ্ছে নিউমোনিয়ায়। সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে প্রতিনিয়ত। শিশুদের সুস্থ রাখতে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
ডিসেম্বরের শেষ থেকেই জাঁকিয়ে শীত পড়তে থাকে। তবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাতে তীব্রতা বেড়ে যায় শীতের। জানুয়ারি মাসে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গড়ে প্রতিদিন ৭০০ জন রোগী বর্হিবিভাগে আসছেন। যেটা সাধারণ সময়ে ৩০০ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালের বেডে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশুই নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত এক সপ্তাহে শুধু ৪৩ জন শিশু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
শনিবার (১৩ জানুয়ারি) সকালেও হাসপাতালের বর্হিবিভাগে অভিভাবকসহ শিশু রোগীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সিলেট সদর হাসপাতালেও একই চিত্র।
ওসমানী হাসপাতালের একজন আবাসিক চিকিৎসক জানান, ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে ঠাণ্ডা-কাশি-জ্বর বাড়ছে। যেটা রুপ নিচ্ছে নিউমোনিয়ায়। তবে বাবা-মাকে খেয়াল রাখতে হবে শিশুর ঠাণ্ডা যেন শ্বাস কষ্টে রুপ না নেয়।
তিনি বলেন, ঠাণ্ডার প্রকোপ বাড়ছে। সাধারণ সময়ে যেখানে তিনশ’ থেকে সাড়ে তিনশ’ রোগী আসেন বর্হিবিভাগে, এখন সেটা প্রায় ৭০০।
এই শীতে শিশুদের উষ্ণ আরামদায়ক কাপড় পড়তে দিতে হবে। সবসময় পানি গরম করে খাওয়াতে হবে এবং ব্যবহারের পানিও গরম করে দিতে হবে। এসময় অল্প মধু এবং তুলসী পাতা খেলে ভালো। তবে অতিরিক্ত গরম কাপড়ের কারণে শিশুর শরীর যেন ঘামিয়ে না যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে বলে পরামর্শ দেন তিনি।
তবে ২ বছরের নিচে বাচ্চাদের অন্যান্য খাবারের সঙ্গে বুকের দুধ খেতে দিতে হবে। আর বড় বাচ্চারা (২ বছরের উপরে) রাস্তায় যেন ধুলাবালিতে খেলা না করে, বাইরে যেন মাস্ক ব্যবহার করে সেদিকে নজর রাখতে হবে। এছাড়াও রঙিন শবজি ও ফল খেতে হবে।
নিউমোনিয়ায় আক্রান্তের লক্ষণ হিসেবে তিনি বলেন, শিশুর প্রচণ্ড জ্বর আসবে। কাশি হবে। খেতে চাইবে না। মিনিটে ৬০ বারের বেশি শ্বাস নেওয়া বা বুকের দুই পাশের পাঁজর নেমে যাওয়া।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook6Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: