মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৯ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন আরিফুল হক চৌধুরী  » «   সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «  

ত্রিদেশীয় সিরিজঃ জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
গ্রায়েম ক্রেমারের বলটা শর্ট লেগে পাঠিয়ে এক রান নিলেন মুশফিকুর রহিম, জয় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। তবে জয়ের উচ্ছ্বাসটা তেমন ছুঁতে দেখা গেল না টাইগারদের। ফেবারিট হিসেবে শুরু করা ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় তো প্রত্যাশিতই ছিল!
তারপরও শঙ্কা যে একেবারে ছিল না, তা নয়। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে অধ্যায় শেষে খালেদ মাহমুদ সুজনের অধীনে যাত্রাটা কেমন হবে? কোচ হারানোর বেদনায় মুষড়ে পড়বে না তো টাইগাররা? জিম্বাবুয়েও কি ঘরের মাঠের মাশরাফিদের বিপক্ষে একটু সুযোগ নিতে চাইবে?
শেষতক এসব শঙ্কা-উৎকন্ঠাকে একেবারে পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে আদতে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজনের শুরুটা হলো দুর্দান্ত, হাথুরু-বিষাদে না পুড়ে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় এখন প্রত্যাশিত। তবে বাংলাদেশ যেমন দাপটে খেলেছে, সেটা দুই দলের পার্থক্য বুঝিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট ছিল। শিশিরভেজা আবহাওয়ায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে রীতিমত ছেলে-খেলা করেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচটি তারা জিতেছে ১২৯ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে।
বাংলাদেশের এই বড় জয়ের কারিগর বলা যায় দু’জনকে-দুই বন্ধু তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসান। সাকিব তো বল হাতে ঘূর্ণি বিষ ছড়ানোর পর পছন্দের পজিশন তিন নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৭ রানের একটি ইনিংসও খেলে দিয়েছেন। স্বভাবতই ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না, ১৭১ রানের। তবে হিমশীতল আবহাওয়ায় এই লক্ষ্যটাও কঠিন হয়ে যেতে পারে, এমন শঙ্কা ছিল। তবে সেই শঙ্কাকে চড়ে বসতে দিলেন না তামিম। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৯তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেন, দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই মাঠ ছাড়লেন।
মাঠ ছাড়ার সময় তামিম অপরাজিত ছিলেন ৮৪ রানে। বাঁহাতি এই ওপেনারের ইনিংসটি ছিল ৯৪ বলের, যাতে ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কা। সাকিব আউট হওয়ার পর শেষ সময়টায় তামিমকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। টাইগার উইকেটরক্ষক অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।
উদ্বোধনী জুটিতে তামিম আর দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এনামুল হক বিজয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। ৪ ওভারে ৩০ রান তুলেন এই যুগল। এরপরই আঘাত সিকান্দার রাজার। চড়াও হয়ে খেলতে গিয়ে লেগ সাইডে উঠিয়ে মেরেছিলেন বিজয়। বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি তালুবন্দী করতে ভুল করেননি শন আরভিন। ১৪ বলে গড়া তার ১৯ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি বাউন্ডারি।
এরপর তামিম ইকবালকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ রানের দারুণ এক জুটিতেই দলকে জয়ের রাস্তা চিনিয়ে দিয়েছেন সাকিব। হাফসেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় সিকান্দার রাজার একটি ডেলিভারি আঘাত হানে তার প্যাডে।
শুরুতে আম্পায়ার শামসুদ্দীন অবশ্য আউট দেননি। জিম্বাবুয়ে রিভিউ নিতে ভুল করেনি। তাতেই কপাল পুড়েছে সাকিবের। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আঘাত করেছে তার লেগ স্ট্যাম্পে। ৩৭ রানের ইনিংসটিতে সাকিব বল মোকাবেলা করেছেন ৪৬টি, বাউন্ডারি ৫টি।
এর আগে ৪৯ ওভার ব্যাটিং করলেও বাংলাদেশি বোলারদের তোপে ১৭০ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন সিকান্দার রাজা। পিটার মুর ৩৩ আর ব্রেন্ডন টেলর করেন ২৪ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪৩ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২টি করে উইকেট মোস্তাফিজুর রহমান আর রুবেল হোসেনের। মাশরাফি আর সানজামুল ইসলামও পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: