শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
যুক্তরাজ্যে অভিবাসী কবি শেলী ফেরদৌস-এর দু’টি কাব্যগ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান  » «   বর্বরতার আলামত নষ্টে রোহিঙ্গা গ্রামে বুলডোজার  » «   ৫ দিনে সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর হামলায় নিহত ৪০৩  » «   শাহজালালে বিমান আটকে দিল মশা  » «   অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন প্রতিমন্ত্রী মান্নান  » «   ছড়া দখল করে বহুতল ভবন  » «   ১৫ ঘণ্টা পর সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিকঃ শ্রীমঙ্গলে ট্রেন দুর্ঘটনায় ২ তদন্ত কমিটি  » «   বিশ্বের বিস্ময়  » «   জিহাদুন নাফস  » «   জগন্নাথপুরে ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সভা  » «   শিক্ষক প্রাইমারির, পরিচয় দেন বিসিএস ক্যাডার  » «   তাহিপুর সীমান্তে কয়লা এবং মদ জব্দ  » «   পুলিশি হেফাজত থেকে আসামির পলায়ন, ফের গ্রেফতার  » «   ‘একুশে বাংলা কিবোর্ড’ তৈরি করলো শাবিপ্রবি  » «   শাবিপ্রবিতে র‌্যাগিংয়ের নামে নির্যাতনঃ তদন্ত কমিটি গঠন  » «  

ত্রিদেশীয় সিরিজঃ জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে দিয়ে শুরু বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্ক
গ্রায়েম ক্রেমারের বলটা শর্ট লেগে পাঠিয়ে এক রান নিলেন মুশফিকুর রহিম, জয় নিশ্চিত হয়ে গেল বাংলাদেশের। তবে জয়ের উচ্ছ্বাসটা তেমন ছুঁতে দেখা গেল না টাইগারদের। ফেবারিট হিসেবে শুরু করা ত্রিদেশীয় সিরিজে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এই জয় তো প্রত্যাশিতই ছিল!
তারপরও শঙ্কা যে একেবারে ছিল না, তা নয়। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে অধ্যায় শেষে খালেদ মাহমুদ সুজনের অধীনে যাত্রাটা কেমন হবে? কোচ হারানোর বেদনায় মুষড়ে পড়বে না তো টাইগাররা? জিম্বাবুয়েও কি ঘরের মাঠের মাশরাফিদের বিপক্ষে একটু সুযোগ নিতে চাইবে?
শেষতক এসব শঙ্কা-উৎকন্ঠাকে একেবারে পাত্তাই দিলো না বাংলাদেশ। টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবে আদতে দলের কোচের দায়িত্ব পালন করা খালেদ মাহমুদ সুজনের শুরুটা হলো দুর্দান্ত, হাথুরু-বিষাদে না পুড়ে।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় এখন প্রত্যাশিত। তবে বাংলাদেশ যেমন দাপটে খেলেছে, সেটা দুই দলের পার্থক্য বুঝিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট ছিল। শিশিরভেজা আবহাওয়ায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে রীতিমত ছেলে-খেলা করেছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচটি তারা জিতেছে ১২৯ বল আর ৮ উইকেট হাতে রেখে।
বাংলাদেশের এই বড় জয়ের কারিগর বলা যায় দু’জনকে-দুই বন্ধু তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসান। সাকিব তো বল হাতে ঘূর্ণি বিষ ছড়ানোর পর পছন্দের পজিশন তিন নাম্বারে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৭ রানের একটি ইনিংসও খেলে দিয়েছেন। স্বভাবতই ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে।
লক্ষ্যটা খুব বড় ছিল না, ১৭১ রানের। তবে হিমশীতল আবহাওয়ায় এই লক্ষ্যটাও কঠিন হয়ে যেতে পারে, এমন শঙ্কা ছিল। তবে সেই শঙ্কাকে চড়ে বসতে দিলেন না তামিম। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ৩৯তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিলেন, দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েই মাঠ ছাড়লেন।
মাঠ ছাড়ার সময় তামিম অপরাজিত ছিলেন ৮৪ রানে। বাঁহাতি এই ওপেনারের ইনিংসটি ছিল ৯৪ বলের, যাতে ৮টি বাউন্ডারি আর ১টি ছক্কা। সাকিব আউট হওয়ার পর শেষ সময়টায় তামিমকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন মুশফিকুর রহিম। টাইগার উইকেটরক্ষক অপরাজিত ছিলেন ১৪ রানে।
উদ্বোধনী জুটিতে তামিম আর দীর্ঘদিন পর দলে ফেরা এনামুল হক বিজয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। ৪ ওভারে ৩০ রান তুলেন এই যুগল। এরপরই আঘাত সিকান্দার রাজার। চড়াও হয়ে খেলতে গিয়ে লেগ সাইডে উঠিয়ে মেরেছিলেন বিজয়। বাউন্ডারিতে দাঁড়িয়ে ক্যাচটি তালুবন্দী করতে ভুল করেননি শন আরভিন। ১৪ বলে গড়া তার ১৯ রানের ইনিংসটিতে ছিল ৪টি বাউন্ডারি।
এরপর তামিম ইকবালকে সঙ্গে নিয়ে ৭৮ রানের দারুণ এক জুটিতেই দলকে জয়ের রাস্তা চিনিয়ে দিয়েছেন সাকিব। হাফসেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন, এমন সময় সিকান্দার রাজার একটি ডেলিভারি আঘাত হানে তার প্যাডে।
শুরুতে আম্পায়ার শামসুদ্দীন অবশ্য আউট দেননি। জিম্বাবুয়ে রিভিউ নিতে ভুল করেনি। তাতেই কপাল পুড়েছে সাকিবের। রিপ্লেতে দেখা যায়, বল আঘাত করেছে তার লেগ স্ট্যাম্পে। ৩৭ রানের ইনিংসটিতে সাকিব বল মোকাবেলা করেছেন ৪৬টি, বাউন্ডারি ৫টি।
এর আগে ৪৯ ওভার ব্যাটিং করলেও বাংলাদেশি বোলারদের তোপে ১৭০ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন সিকান্দার রাজা। পিটার মুর ৩৩ আর ব্রেন্ডন টেলর করেন ২৪ রান।
বাংলাদেশের পক্ষে ৪৩ রানে ৩টি উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২টি করে উইকেট মোস্তাফিজুর রহমান আর রুবেল হোসেনের। মাশরাফি আর সানজামুল ইসলামও পেয়েছেন একটি করে উইকেট।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook4Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: