সিলেট সংলাপ | SYLHETSANGLAP.COMবাঁধা উপেক্ষা করে লক্ষ জনতার ঢ্লঃ সিলেট সফর করলেন খালেদা জিয়া | সিলেট সংলাপ | SYLHETSANGLAP.COM

রবিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  » «   সিলেটে চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা লক্ষাধিক পিস  » «   ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার  » «   পেট পরিষ্কার রাখতে যা খাবেন  » «   আমূল পরিবর্তন আসছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়  » «   ক্রেতা আনাগোনা কম সিলেটের পশুর হাটে!  » «   দক্ষিণ সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০  » «   বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স  » «   পরিকল্পিত নগর গড়ার অঙ্গীকার সিসিক মেয়র প্রার্থীদের  » «   প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া  » «   বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স  » «   উপহারের টাকায় কামরান, বেতনের টাকায় আরিফের নির্বাচনী ব্যয়  » «   ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলজিয়াম  » «   উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স  » «   টাইব্রেকারে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড  » «  

বাঁধা উপেক্ষা করে লক্ষ জনতার ঢ্লঃ সিলেট সফর করলেন খালেদা জিয়া

স্টাফ রিপোর্টার :
হযরত শাহজালাল ও শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। সোমবার সন্ধ্যায় মাজার দুইটি জিয়ারত করেন তিনি। সেখানে তিনি কিছু সময় অবস্থান করে কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া দরুদ পড়ে দুহাত তুলে মহান আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেন। এ সময় দরগা দুটি ঘিরে ছিল লোকে লোকারণ্য। সিলেট শহরে প্রায় ৬ ঘণ্টা অবস্থান শেষে সড়ক পথেই ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা দেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। সোমবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে সিলেটের সার্কিট হাউস থেকে রওয়ানা হন তিনি।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টায় তিনি সার্কিট হাউস থেকে বের হয়ে সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় শাহজালাল (রহ.) মাজারে পৌঁছান। সন্ধ্যা ৬টায় তিনি হযরত শাহজালাল (রহ.) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হজরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওয়ানা হন।
এর আগে সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সার্কিট হাউসে পৌঁছান বিএনপি চেয়ারপারসন। সেখানে তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী। বেগম খালেদা জিয়ার আগমন ঘিরে সিলেট শহরের প্রবেশ মুখেই বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী জড়ো হন। এসময় জনতার ঢল নামে।
দরগাহ গেটে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানাতে আগে থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত হন।
এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসা থেকে রওনা হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টায় সিলেট সার্কিট হাউসে পৌঁছায় বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি সার্কিট হাউসে দুপুরের খাবার শেষে দুই আউলিয়ার মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে বের হন।
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গী হয়েছেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শাহজাহান ওমর, বরকতউল্লাহ বুলু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়ালসহ অনেকে।
বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর নয়াপল্টন অতিক্রম করার সময় দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কিছুক্ষণের জন্য থামে। এসময় কার্যালয়ে অবস্থানরত দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদের পক্ষ থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বেগম খালেদা জিয়াকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
গুলশান, তেজগাঁও, মহাখালী, কাকরাইল, মতিঝিল, সায়েদাবাদ ফ্লাইওভার হয়ে যাত্রাবাড়ী প্রতিটি পয়েন্টে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়ে বেগম খালেদার গাড়িবহরকে নিরাপত্তা দিয়ে পার করে দেয়।
নারায়ণগঞ্জের প্রবেশমুখে সাইনবোর্ড এলাকায় নেতাকর্মীরা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন।
পথে পথে পুলিশি বাধা, আটক ও গুলি:
সিলেটের উদ্দেশে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ী বহর বের হলে নারায়ণগঞ্জের আড়াউহাজার উপজেলা, নরসিংদীর শিবপুর, কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর চড়াও হয় পুলিশ। এ সময় গুলির ঘটনাও ঘটে। এ সময় অন্তত ১৯ জনকে আটক করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ সময় আটককৃতদের মধ্যে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক সানাউল্লাহ মিয়া, বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদ, নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি সুলতান উদ্দিন মোল্লা, শহর বিএনপির সভাপতি গোলাম কবির কামাল, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জুয়েল আহমেদ, উপজেলা ছাত্রদল নেতা রাজীব আহমেদ, মনির হোসেন প্রমুখ রয়েছেন।
জানা যায়, বেগম খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকে বিএনপি নেতাকর্মী ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা মহাসড়কের ভেলানগর এলাকায় অবস্থান নেয়। অন্যদিকে বিএনপি নেতাকর্মীদের প্রতিহত করতে মাঠে ছিল ছাত্রলীগ-যুবলীগ। এ সময় ছাত্রলীগ-যুবললীগ নৌকার পক্ষে মহাসড়কে মিছিল করে। এতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় বিএনপি ও আওয়ামী লীগ নেতাকমীরা। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে পুলিশ দুই দলের নেতাকর্মীদের সরিয়ে দেয়। আইনজীবীরা বেগম খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানাতে মহাসড়কের পাশে দাঁড়াতে চাইলে পুলিশ তাদের ব্যানার ও ফেস্টুন কেড়ে নেয়।
বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নরসিংদী অতিক্রম করেন। তখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান। বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর যাওয়ার সময় ছাত্রলীগ-যুবলীগ নেতাকর্মীরা ঢিল ছুড়ে মারেন এবং সরকারের পক্ষে স্লোগান দেয়। এ সময় সেখান থেকে ১১ জনকে আটক করে। এ দিকে শিবপুরের কামারটেক সবুজ পাহাড় কলেজ এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের পুলিশ লাঠিপেটা করে।
এদিকে নারায়ণগঞ্জের নেতাকর্মীরা সাইনবোর্ড, কাঁচপুর, আড়াইহাজারের পাঁচরুখী এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীরা বেগম খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য জড়ো হন। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর চড়াও হয়। কেড়ে নেয় তাদের ব্যানার-ফেস্টুন। একপর্যায়ে বাড়ির ভিতর ঢুকে গুলি চালায় পুলিশ।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম মোল্লা অভিযোগ করেন, পুলিশ প্রতিটি পয়েন্টে তাদের বাধা দিয়েছে। পাঁচরুখী এলাকায় পুলিশ নেতাকর্মীদের রাস্তায় দাঁড়াতে দেয়নি। পুলিশে বাধার মুখে নেতাকর্মীরা রাস্তা ছেড়ে নিচে নেমে গেলেও পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ কয়েকটি শটগানের গুলি ছুড়ে। আহত হয় অন্তত পাঁচজন। তারপর ওই এলাকায় নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালায় পুলিশ।
অপরদিকে সাইনবোর্ড এলাকা থেকে পুলিশ আটক করে মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন, এডভোকেট আনোয়ার প্রধান ও এডভোকেট মাঈনুদ্দিন রেজাকে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে বেলা সাড়ে ১১টায় আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে তিন বিএনপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ।
এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষকদলের সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সম্পাদক তকদীর হোসেন মো. জসিম বলেন, বিএনপি চেয়ারপরসন বেগম খালেদা জিয়া সড়কপথে ঢাকা থেকে সিলেট যাওয়াকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিএনপি নেতাকর্মীরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য উদগ্রীব ছিল। কিন্তু আশুগঞ্জ থেকে সরাইল কুট্টাপাড়া পর্যন্ত পুলিশ কোনো নেতাকর্মীকে দাঁড়াতে দেয়নি। রাস্তায় দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেই পুলিশ লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দেয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
বেগম খালেদা জিয়ার গড়ীবহর ভৈরব পৌঁছালে সেখানে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়। এতে তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ বিএনপির কমপক্ষে ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশ ১৭টি রাবার বুলেট ছুড়ে। গ্রেপ্তার করে পাঁচ নেতাকে।
স্থানীয় লোকজন জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার সফরকে কেন্দ্র করে রবিবার থেকেই ভৈরবে পুলিশ বেশ তৎপর ছিল। রবিবার বিকাল থেকে রাতভর ভৈরব ও কুলিয়ারচরের বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশিকালে ভৈরব শহরের দড়িচণ্ডীবের এলাকার নিজবাড়ি থেকে যুবদল নেতা মাসুদ, কুলিয়ারচরের রামদি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজি মজনু মেম্বার, যুবদল নেতা পলাশ ও গোলাম রসুলকে ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের কুলিয়ারচরের ছয়সূতি ইউনিয়নের নোয়াগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকা এবং যুবদল নেতা ফজলু মিয়াকে কুলিয়ারচর থেকে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে সোমবার সকাল থেকে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-ভৈরব-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ভৈরব বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সব যানবাহন চলাচলসহ দোকানপাট বন্ধ করে দেয় পুলিশ। এতে পুরো এলাকায় হরতাল-অবরোধের আবহ তৈরি হয়। চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েন বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী লোকজন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চলাচলও বন্ধ করে দেয় পুলিশ। শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে বিপুল পুলিশ টহল দিতে থাকে।
পুলিশের এত নজরদারীর মধ্যেও সকাল ১০টার পর থেকে মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ভিপি সাইফুল হক, বিএনপির সভাপতি, সাবেক পৌর মেয়র হাজি মো. শাহীনের নেতৃত্বে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাঁদের বাগবিতণ্ডা থেকে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিপেটা করে এবং রাবার বুলেট ছুড়ে মারে। এতে ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ছুড়ে মারে পুলিশের ওপর।
ইট-পাটকেলের আঘাতে এক নারী পথচারী এবং ভৈরব থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সার্জেন্ট শাহাদাৎ হোসেন, উপপরিদর্শক আজিজুল ইসলামসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
এ সময় ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজাহারুল ইসলাম, ভৈরব উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বদরুল মোমেন মিঠু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ভিপি বাহার উল ইসলাম বাহার ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক তারিকুজ্জামান পার্নেলকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের পুলিশের কর্তব্য কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে মামলা দায়েরের পর কিশোরগঞ্জ জেলহাজতে পাঠানো হয়।
এদিকে নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এবং অবিলম্বে মুক্তির দাবিতে সোমবার দুপুর ২টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ভৈরব উপজেলা বিএনপি। মিছিলটি শহরের মনামরা ব্রিজ এলাকা থেকে বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। ওই বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপিসহ ছাত্রদল, যুবদল এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেন।
বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ সিলেটে গিয়েছিলেন দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের ৪ অক্টোবর। সে সময় আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ২০ দলীয় জোটের জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: