মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন আরিফুল হক চৌধুরী  » «   সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «  

বাংলা শুদ্ধ উচ্চারণ শেখানোর কৌশল উদ্ভাবন

মৌলভীবাজার সংবাদদাতাঃ
আমাদের মায়ের ভাষা বাংলা। অথচ আমাদের বেশিরভাগই শুদ্ধ করে বাংলা বলতে পারি না। এই অবস্থায় করণীয় কী? এমন চিন্তা থেকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের বাংলা শুদ্ধ উচ্চারণ শেখানোর কৌশল উদ্ভাবন করেছেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার টিলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পূর্ণা রায় ভৌমিক।
প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা বইয়ের শুদ্ধ উচ্চারণের অডিও রেকর্ড করেছেন ছাত্রছাত্রীদের পাঠদানের জন্য। এরই মধ্যে কয়েকটি স্কুলে এই পদ্ধতি চালু করেছেন তিনি। তার এই উদ্যোগ এলাকায় বেশ সাড়া ফেলেছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির অ, আ থেকে শুরু করে পঞ্চম শ্রেণির প্রত্যেক পাঠের অডিও রেকর্ডের সঙ্গে বই মিলিয়ে পাঠগ্রহণ করবে শিক্ষার্থীরা। প্রত্যেক শ্রেণির সব পাঠের আলাদা অডিও রয়েছে তার কাছে। প্রতিদিনের পাঠ অনুযায়ী একটি মোবাইল ফোনে সেই অডিও ক্লিপ চালিয়ে দিলেই বই দেখে ও উচ্চারণ শুনে তা শিখবে শিক্ষার্থীরা। এভাবে উচ্চারণে পিছিয়ে থাকা শিক্ষকরাও শিখতে পারবেন শুদ্ধ বাংলা।
শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মৌলভীবাজার ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় পূর্ণা রায় ভৌমিক তার এই উদ্ভাবনের ব্যাপারে জানান, দেশের প্রায় সব অঞ্চলের মানুষ ভাষাগত জড়তায় ভোগে। বাচ্চারা ছোট থেকে যেভাবে কথা বলতে শোনে সেভাবেই বলতে শেখে। ফলে তারা শুধুই আঞ্চলিকতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ছোট থেকেই শুদ্ধ উচ্চারণ শোনানো হলে তারা সেটাই শিখবে। এই চিন্তা থেকে আমি এমন উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ২৪ বছর শিক্ষকতা করে দেখেছি, শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, বেশিরভাগ শিক্ষকও ভুল বাংলা বলেন। আমার এই পদ্ধতিতে সহযেই কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শুদ্ধ বাংলা উচ্চারণ শিখতে পারবে। পাশাপাশি শেখানোর সময় শিখতে পারবেন শিক্ষকরাও।
এ ব্যাপারে জেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কিশোলয় চক্রবর্তী বলেন, এটি অত্যন্ত যুগোপযোগী উদ্ভাবন। সরকার যে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে, তাতে এই ডিজিটাল বাংলা পাঠদান পদ্ধতি সরকারের উদ্যোগকে এগিয়ে নেবে। আমরা প্রাথমিক অবস্থায় এই পদ্ধতিতে কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্য কিছু অনুদান দিয়েছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: