মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

আসাদ বাহিনীর গোলাবর্ষণে ১২ দিনে ৬৭৪ সিরীয় নিহত

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
সিরিয়ার পূর্ব ঘৌতায় আসাদ বাহিনীর গোলাবর্ষণে গত ১২ দিনে ৬৭৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি সিরীয় সেচ্ছাসেবী সংস্থা। খবর আল জাজিরার।
২ মার্চ শুক্রবার হোয়াইট হেলমেটস নামের ওই সেচ্ছাসেবী সংস্থা এ তথ্য জানায়।
হোয়াইট হেলমেটসের সদস্য মাহমুদ আদম জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আসাদ বাহিনী এই আগ্রাসন চালাচ্ছে। তাছাড়া পূর্ব ঘৌতার আবাসিক এলাকাগুলোতে রাশিয়া ও সিরিয়ার আগ্রাসন এখনো থামেনি
এ ছাড়া রাশিয়ার প্রস্তাবিত পাঁচ ঘণ্টার মানবিক বিরতিতে অনাস্থা জ্ঞাপন করে স্থানীয় অধিবাসীরা অভিযোগ করেছেন, যুদ্ধ বিরতির কথা বলা হলেও সিরিয়ার সরকারি বাহিনী ও রাশিয়া বোমাবর্ষণ অব্যাহত রেখেছে। সিরিয়ান সরকার ও রাশিয়া যুদ্ধ বিরতির নামে তাদের সঙ্গে উপহাস করেছে।
আবদেল মালিক আবুদ নামে পূর্ব ঘৌতার অধিবাসী কাতারভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল আল জাজিরাকে জানায়, ঘৌতার মানুষ নিরাপদ বহির্গমন পথের (এক্সিট করিডোর) ঘোষণার বিষয়টি বিশ্বাস করেনি, কারণ বাশার শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা অনেক আগেই নষ্ট হয়ে গেছে। তা ছাড়া মানুষ কীভাবে বিশ্বাস করবে, যখন বিরতিহীন বোমাবর্ষণ চলছে, মূলত সরকার বা রাশিয়া কেউই বেসামরিক জনগণকে যুদ্ধের বাইরে রাখার কোনো চেষ্টাই করেনি।
এ ছাড়া হাজার হাজার সিরীয় পরিবারকে বেজমেন্টে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
আবু আনাস নামের এক ব্যক্তি এক সিরীয় সংবাদ সংস্থাকে জানান, গোলাবর্ষণে তার ঘর ধ্বংস হওয়ার পর তাকে ও তার পরিবারকে দৌমার একটি বেজমেন্টে থাকতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু সেখানেও তারা বিমান হামলা থেকে রক্ষা পায়নি। তা ছাড়া আশ্রয় কেন্দ্রগুলো জনাকীর্ণ ও সেখানে কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই।
ওমর নামের আরেক ব্যাক্তি অভিযোগ করেন, আমরা দিনের পর দিন না খেয়ে কাটিয়েছি। এমনকি আমার মাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করতে পারিনি।
ঘৌতা রাজধানী দামেস্কের নিকটবর্তী শহর, যা ২০১৩ সাল থেকে বিদ্রোহীদের দখলে রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে বাশার আল আসাদ রাশিয়ার সরাসরি সহায়তা নিয়ে বেশিরভাগ বিদ্রোহীদের দমন করতে সক্ষম হলেও ঘৌতা বিদ্রোহীদের নিয়ন্ত্রণেই রয়ে যায়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে ঘৌতা পুনরুদ্ধারে জোর অভিযান শুরু করেছে বাশার বাহিনী।
ওই অভিযানে শিশু-নারীসহ পাঁচশতাধিক বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ৩০ দিনের যুদ্ধ বিরতিতে সম্মত হয়। জাতিসংঘের ওই সিদ্ধান্তের পর প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা যুদ্ধ বিরতির নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। একই সঙ্গে ঘৌতায় বসবাসরত ৪ লাখ নাগরিককে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে একটি করিডোরও খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু ঘৌতার নাগরিকদের দাবি, সিরিয়া বা রাশিয়া কেউই যুদ্ধ বিরতি মানছেন না। তাই করিডোরও কোনো উপকারে আসেনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: