বুধবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন আরিফুল হক চৌধুরী  » «   সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «  

ব্যাংকিং খাতে হয়রানির অভিযোগ সাড়ে ৩ হাজার

সিলেট সংলাপ ডেস্ক:
ব্যাংকিং খাতে গত ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আর্থিক অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়ে তিন হাজার ৫২১টি অভিযোগ করেছেন গ্রাহকরা। যার শতভাগ নিষ্পত্তি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হামিদুল্লাহ কনফারেন্স কক্ষে গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণের বার্ষিক প্রতিবেদন (২০১৬-১৭) প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনটির মোড়ক উন্মোচন করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংকিং খাতে গত অর্থবছরে গ্রাহকরা আর্থিক অনিয়ম ও হয়রানির শিকার হয়ে টেলিফোনে এক হাজার ৩৬২টি এবং লিখিতভাবে দুই হাজার ১৬৪টি অর্থাৎ মোট তিন হাজার ৫২১টি অভিযোগ করেন। যার প্রায় সব অভিযোগই নিষ্পত্তি করা হয়েছে।
অধিকাংশ অভিযোগই ছিল সাধারণ ব্যাংকিং-সংক্রান্ত যা মোট অভিযোগের ৪০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঋণ ও অগ্রিম-সংক্রান্ত অভিযোগ ১৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। ট্রেড বিল-সংক্রান্ত ১৫ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড-সংক্রান্ত ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, মোবাইল ব্যাংকিং-সংক্রান্ত ২ দশমকি ৪৭ শতাংশ, ব্যাংক গ্যারান্টি-সংক্রান্ত ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ, রেমিট্যান্স-সংক্রান্ত ১ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং বিবিধ ১২ দশমিক ৭০ শতাংশ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ মাসুম কামাল ভূঁইয়া, নির্বাহী পরিচালক (বিশেষায়িত) এ কে এম ফজলুল হক মিঞা, এফআইসিএসডির মহাব্যবস্থাপক মো. জামাল মোল্লা, আইটিওসিডির সিস্টেম ম্যানেজার মুহাম্মদ ইসহাক মিয়া এবং এফআইসিএসডি ও আইটিওসিডির কর্মকর্তারা।
এ অনুষ্ঠানে এফআইসিএসডিতে অভিযোগ গ্রহণের জন্য ব্যাংকের আইটিওসিডি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত একটি মোবাইল অ্যাপও আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত করেন গভর্নর। এখন থেকে সাধারণ মানুষ বিদ্যমান মাধ্যমের পাশাপাশি এ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও অভিযোগ দাখিল করার সুবিধা পাবেন।
মোবাইল অ্যাপটি BB Complaints নামে গুগল প্লে স্টোরে আপলোড করা হয়েছে যা play.google.com/store/apps থেকে ডাউনলোড করা যাবে।
উল্লেখ্য, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার জন্য ২০১১ সালের ১ এপ্রিল গ্রাহক স্বার্থ সংরক্ষণ কেন্দ্র গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে এর পরিধি বাড়তে থাকায় আরও বৃহৎ পরিসরে একে ঢেলে সাজিয়ে ২০১২ সালের ২৫ জুলাই গঠন করা হয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড কাস্টমার সার্ভিস বিভাগ (এফআইসিএসডি)।
ফ্যাক্স (০০৮৮-০২-৯৫৩০২৭৩), ই-মেইল (bb.cipc@bb.org.bd), এসএমএস এবং ১৬২৩৬ নম্বরে ডায়াল করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যে কোনো অনিয়ম ও হয়রানির বিরুদ্ধে গ্রাহকরা অভিযোগ করতে পারেন। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এ সেবা চালু করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: