সোমবার, ২৮ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
তৃতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস  » «   নগরীর অভিজাত শপ-রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা  » «   রাশিয়ার মিসাইলেই বিধ্বস্ত হয় মালেশিয়ার বিমান: তদন্ত দল  » «   রাজস্থানকে বিদায় করে কোয়ালিফায়ারে কলকাতা  » «   সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে কৃষক নিহত  » «   নগরীতে বাসের ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত  » «   ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রাসহ যাত্রী আটক  » «   ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মের প্রতি আমি দুর্বল হয়ে যাচ্ছিলাম  » «   অভিনেত্রী তাজিন আহমেদ আর নেই  » «   খাবারে ভেজাল মেশানো বড় পাপ : বিভাগীয় কমিশনার  » «   চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালঃ রিয়ালের বড় বাধা সালাহ!  » «   খুলনায় নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ: সুজন  » «   লোকবল আর প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে ধ্বংস হচ্ছে লাউয়াছড়া বন ও বন্যপ্রাণী  » «   গোয়াইনঘাটে ২০ দিন ধরে যুবক নিখোঁজ  » «   ১৪১ বাংলাদেশি যাত্রী নিয়ে সৌদি বিমানের জরুরি অবতরণ  » «  

টিআর-কাবিখাতে চুরি-চামারি বেশি হয় : অর্থমন্ত্রী

সিলেট সংলাপ ডেস্ক:
টিআর (টেস্ট রিলিফ) ও কাবিখা ( কাজের বিনিময়ে খাদ্য) কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি চুরি-চামারি হয় বলে স্বীকার করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তার ভাষ্য, এটা বন্ধ করে দেয়ার দাবি এসেছে, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে সেটা বাতিল করা যাচ্ছে না।
রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি একথা বলেন। বৈঠকে অংশ নিয়ে উপস্থিত বক্তারা টিআর-কাবিখা বাতিলের দাবি জানান। তাদের মতে, এ মুহূর্তে ৪০ দিন তথা ১০০ দিনের কর্মসূচির কোনো দরকার নেই। সবাই দুর্নীতি অনিয়ম হয়। এসব বাদ দিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানান।
জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে আমাদের দেশে ভাতায় দুর্নীতি কম। এটা সম্ভব হয়েছে জাতীয় পরিচয়পত্রের সুবাদে। কারণ ইচ্ছা করলেই যুবক বা ভুয়া কোনো ব্যক্তি এ তালিকায় যুক্ত হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, টিআর-কাবিখা বন্ধের বিষয়ে চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু কৃষিমন্ত্রী এর ঘোর বিরোধী। তবে যেহেতু এখন নতুন দাবি উঠেছে, সামনের বাজেটে সেটা বিবেচনা করা যেতে পারে।
এদিকে আলোচনার শুরুতে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এ প্রসঙ্গে বলেন, টিআর-কাবিখা বন্ধের বিষয়ে প্রস্তাব এসেছে। বলা হচ্ছে, এখানে অনিয়ম হয়। তবে এগুলো বন্ধ হবে কিনা তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, নির্বাচনী অর্থবছরের (২০১৮-১৯) বাজেট উচ্চাভিলাষী হবে না। আগের বছরের ধারাবাহিকতায় আগামী বাজেটের সম্ভাব্য আকার ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যেই থাকবে।
আলোচনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ নির্বাচনের বছর। তাই নতুন করে কোনো চ্যালেঞ্জ নেয়া হবে না। আগের বছরগুলোর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাজেট প্রণয়ন করা হবে। একই কারণে বরাদ্দের ক্ষেত্রেও কোনো চমক থাকবে না। স্বাভাবিকভাবে সর্বোচ্চ বরাদ্দ যাবে মানবসম্পদ উন্নয়নে অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পানি সরবরাহ ক্ষেত্রে। আর খাত হিসেবে বিগত বছরগুলোর ধারাবাহিকতা মেনে পরিবহন ও জ্বালানি খাত গুরুত্ব পাবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবছর বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এবার আমাদের এডিপি বাস্তবায়নের হার অনেক ভালো। প্রথম ছয় মাসে ৩৫ শতাংশের বেশি বাস্তবায়ন হয়েছে। অর্থাৎ আমাদের বাস্তবায়ন সক্ষমতা বাড়ছে। এ ধারাবাহিকতা সামনের বছরেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছি।
আলোচনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এমপি। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ সচিব মুসলিম উদ্দিন, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মককর্তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook1Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: