বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
দক্ষিণ সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০  » «   বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স  » «   পরিকল্পিত নগর গড়ার অঙ্গীকার সিসিক মেয়র প্রার্থীদের  » «   প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া  » «   বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স  » «   উপহারের টাকায় কামরান, বেতনের টাকায় আরিফের নির্বাচনী ব্যয়  » «   ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলজিয়াম  » «   উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স  » «   টাইব্রেকারে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড  » «   সিসিক নির্বাচনঃ সবচেয়ে সম্পদশালী মেয়রপ্রার্থী কামরান  » «   সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেন  » «   সিলেট সিটি নির্বাচন: প্রচার ১০ থেকে ২৮ জুলাই  » «   সিসিক নির্বাচন: বাছাইয়ে ছিটকে পড়লেন ২০ প্রার্থী  » «   নেইমার ম্যাজিকে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টারে ব্রাজিল  » «   টাইব্রেকারে রাশিয়ার কাছে হেরে বিদায় স্পেনের  » «  

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস বাধ্যতামূলক

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য ফেসবুক, টুইটার বা ইনেস্ট্রাগ্রামের মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টের ইতিহাস বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ভিসা প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। প্রস্তাবটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট কার্যালয় অধিকাংশ ইমিগ্রেন্ট ও নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের পাঁচ বছরের ইতিহাস জানতে চাইবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য ভিসাপ্রার্থীদের পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এর আওতায় আসবে। সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব বিদেশীর পরিচয় কঠোরভাবে যাচাই-বাছাইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য এ প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ র আগে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধান প্রযোজ্য ছিল।
প্রস্তাবটি পাস হলে ভিসাপ্রার্থীদের বিগত পাঁচ বছর ব্যবহার করা টেলিফোন নাম্বার, ই-মেইল ঠিকানা এবং বিদেশ ভ্রমনের ইতিহাস জানাতে হবে। কোনো দেশ তাকে বহিষ্কার করেছে কিনা এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য সন্ত্রাসবাদে জড়িত ছিল কিনা – তাও জানাতে হবে। তবে কূটনীতিক ও সরকারি ভিসাপ্রার্থীরা এর আওতা থেকে মুুক্ত থাকতে পারেন।
প্রস্তাবটি অবাধ বাক স্বাধীনতা ও সমাবেশ করার অধিকারের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমেরিকান সিভিল লিবার্টি ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। এসিএলইউ’র পরিচালক হিনা শামসি এক বিবৃতি বলেছেন, অনলাইনে বলা কথা সরকারি কর্মকর্তার ভুল বোঝেন কিনা তা নিয়ে মানুষকে এখন চিন্তিত থাকতে হবে। সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ডকে ট্রাম্প প্রশাসন কিভাবে ব্যাখ্যা করে তাও উৎকন্ঠার বিষয়। কেননা এটি রাজনৈতিক ও ভিসাপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী না হলেও মুসলিম প্রধান দেশগুলোর অভিবাসন বা ভ্রমন ভিসাপ্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
নতুন প্রস্তাবটি গত শুক্রবার ফোডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট কার্যালয় প্রস্তাবটি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা তাদের মতামত জানানোর জন্য ৬০ দিন সময় পাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook2Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: