মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস বাধ্যতামূলক যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য সামাজিক মাধ্যমের ইতিহাস বাধ্যতামূলক

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য ফেসবুক, টুইটার বা ইনেস্ট্রাগ্রামের মত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টের ইতিহাস বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ভিসা প্রার্থীদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর। প্রস্তাবটি পাস হলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট কার্যালয় অধিকাংশ ইমিগ্রেন্ট ও নন-ইমিগ্রেন্ট ভিসাপ্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের পাঁচ বছরের ইতিহাস জানতে চাইবে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য ভিসাপ্রার্থীদের পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রতি বছর প্রায় দেড় কোটি মানুষ এর আওতায় আসবে। সন্ত্রাসবাদ ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব বিদেশীর পরিচয় কঠোরভাবে যাচাই-বাছাইয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য এ প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এ র আগে জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে এ ধরনের বিধান প্রযোজ্য ছিল।
প্রস্তাবটি পাস হলে ভিসাপ্রার্থীদের বিগত পাঁচ বছর ব্যবহার করা টেলিফোন নাম্বার, ই-মেইল ঠিকানা এবং বিদেশ ভ্রমনের ইতিহাস জানাতে হবে। কোনো দেশ তাকে বহিষ্কার করেছে কিনা এবং তার পরিবারের কোনো সদস্য সন্ত্রাসবাদে জড়িত ছিল কিনা – তাও জানাতে হবে। তবে কূটনীতিক ও সরকারি ভিসাপ্রার্থীরা এর আওতা থেকে মুুক্ত থাকতে পারেন।
প্রস্তাবটি অবাধ বাক স্বাধীনতা ও সমাবেশ করার অধিকারের ওপর বিরুপ প্রভাব ফেলবে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন আমেরিকান সিভিল লিবার্টি ইউনিয়ন (এসিএলইউ)। এসিএলইউ’র পরিচালক হিনা শামসি এক বিবৃতি বলেছেন, অনলাইনে বলা কথা সরকারি কর্মকর্তার ভুল বোঝেন কিনা তা নিয়ে মানুষকে এখন চিন্তিত থাকতে হবে। সন্ত্রাসবাদী কর্মকান্ডকে ট্রাম্প প্রশাসন কিভাবে ব্যাখ্যা করে তাও উৎকন্ঠার বিষয়। কেননা এটি রাজনৈতিক ও ভিসাপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী না হলেও মুসলিম প্রধান দেশগুলোর অভিবাসন বা ভ্রমন ভিসাপ্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করা হতে পারে।
নতুন প্রস্তাবটি গত শুক্রবার ফোডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও বাজেট কার্যালয় প্রস্তাবটি গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা তাদের মতামত জানানোর জন্য ৬০ দিন সময় পাবেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: