সিলেট সংলাপ | SYLHETSANGLAP.COMবৃষ্টির ছোঁয়ায় শ্রীমঙ্গলের চা বাগানগুলোতে নতুন কুঁড়ি | সিলেট সংলাপ | SYLHETSANGLAP.COM

সোমবার, ২০ অগাস্ট ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  » «   সিলেটে চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা লক্ষাধিক পিস  » «   ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসকের আশ্বাসে অবরোধ প্রত্যাহার  » «   পেট পরিষ্কার রাখতে যা খাবেন  » «   আমূল পরিবর্তন আসছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়  » «   ক্রেতা আনাগোনা কম সিলেটের পশুর হাটে!  » «   দক্ষিণ সুরমায় বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৩০  » «   বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স  » «   পরিকল্পিত নগর গড়ার অঙ্গীকার সিসিক মেয়র প্রার্থীদের  » «   প্রথমবার বিশ্বকাপের ফাইনালে ক্রোয়েশিয়া  » «   বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্স  » «   উপহারের টাকায় কামরান, বেতনের টাকায় আরিফের নির্বাচনী ব্যয়  » «   ব্রাজিলকে কাঁদিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে বেলজিয়াম  » «   উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ফ্রান্স  » «   টাইব্রেকারে ইতিহাস গড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ড  » «  

বৃষ্টির ছোঁয়ায় শ্রীমঙ্গলের চা বাগানগুলোতে নতুন কুঁড়ি

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
চায়ের রাজধানী শ্রীমঙ্গলের প্রতিটি চা বাগানে এখন হাসছে নতুন কুঁড়ি। কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে চোখ মেলেছে দু’টি পাতা একটি কুঁড়িরা। সবুজে সবুজময় হয়ে উঠেছে শ্রীমঙ্গলের চা জনপদের প্রাকৃতিক অপরূপ শোভা। যেদিকে চোখ যায় শুধুই ঘন সবুজের অস্তিত্ব।
বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট মাপের ভিত্তিতে চা গাছগুলোতে প্রুনিং (ছাঁটাই) করা হয়। বসন্তকাল আসলেই সাধারণ নিয়মেই কুঁড়ি ছাড়ে। কিন্তু বৃষ্টিপাত হলে সেই কুঁড়ি খুব দ্রুত অঙ্কুরিত হয়। এভাবেই আগাম বৃষ্টিপাত চায়ের উৎপাদনে শুভবার্তা বয়ে নিয়ে আসে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র পর্যবেক্ষক আনিসুর রহমান বলেন, এই কয়েকদিনে ৪৯ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। গত ২৫ মার্চ ভোর ৫টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৯টা পর্যন্ত এই বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এটিই এ মৌসুমের জেলার প্রথম বৃষ্টিপাত।বাংলাদেশি চা সংসদের সিলেট ব্রাঞ্চের চেয়ারম্যান এবং সিনিয়র টি-প্লান্টার গোলাম মোহম্মদ শিবলি বলেন, এই বৃষ্টিপাত চায়ের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এর ফলে চা গাছে দ্রুত কুঁড়ি গজাবে। ফলে পাতা চয়ন (পাতা উত্তোলন) আরও আগে করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, সব ফসলের জন্যই বৃষ্টিপাত উপকারী। কিন্তু চায়ের জন্য আরও বেশি উপকারী। কারণ বৃষ্টিপাত ছাড়া চা গাছগুলোকে বাঁচানো সম্ভব না। তবে আরেকটি বিষয় হলো, বৃষ্টির সময় যদি বৃষ্টি না হয় অর্থাৎ বৃষ্টির গ্যাপ-পিরিয়ড যদি বেড়ে যায় তখন আবার বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।
চায়ের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আনুষঙ্গিক সুবিধার জন্য প্রতিটি চা বাগানে বাৎসরিক প্রুনিং (ছাঁটাই) পদ্ধতি পালন করা হয়। এর ফলে চা গাছের আগাগুলো সুনির্দিষ্ট পরিমাণে ছাঁটাই করে দেওয়া হয়। মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিতে সেই ছাঁটাই করা চা গাছগুলোতে প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বৃষ্টির পরশ পেয়ে জন্ম নেয় দু’টি পাতা একটি কুঁড়ি বলে জানান গোলাম মোহম্মদ শিবলি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: