মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

বিউটি হত্যাঃ এসআই জাকিরের ‘দায়িত্বে অবহেলা’ প্রমাণিত

হবিগঞ্জ সংবাদদাতাঃ
হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে আলোচিত কিশোরী বিউটি হত্যার ঘটনায় এসআই জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে এ সংক্রান্ত তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম শামছুর রহমান ভূঁইয়া এর সত্যতা স্বীকার করে জানান, তার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। তাই বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিছুর রহমানকে দায়িত্ব পালনে আরও দায়িত্ববান হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রকাশ, ২১ জানুয়ারি প্রথম দফায় শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের সায়েদ আলীর মেয়ে বিউটি আক্তারকে অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ৪ মার্চ বিউটির বাবা সায়েদ আলী বাদী হয়ে একই গ্রামের বাবুল মিয়া ও তার মা ইউপি সদস্য কলম চান বিবির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপরও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। পরবর্তীতে ১৬ মার্চ রাতে বিউটি লাখাই উপজেলা গুণিপুর গ্রামে নানার বাড়ি থেকে অপহৃত হয়।
১৭ মার্চ সকালে শায়েস্তগঞ্জের হাওরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। উক্ত ঘটনায় সায়েদ আলী বাদী হয়ে পূণরায় উল্লেখিত আসামিদের বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাগুলোর তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এসআই জাকির হোসেন। তদন্তে তিনি গাফিলতি করেন বলে অভিযোগ উঠলে ২৯ মার্চ পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা তা তদন্তে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটির প্রধান করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম শামছুর রহমান ভূঁইয়াকে। কমিটিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বলা হয়। তদন্ত শেষে কমিটি মঙ্গলবার বিকেলে প্রতিবেদন জমা দেয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: