সোমবার, ২১ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মৌলভীবাজারে জামাতার হাতে শাশুড়ি খুন  » «   রামাদান  » «   রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার থেকে সিয়াম শুরু  » «   বিশ্বরাজনীতিতে নতুন স্নায়ুুযুদ্ধ  » «   যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিবীয়দের সঙ্গে টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশ  » «   মধুচাষে স্বাবলম্বী মৌলভীবাজারের ৪ শতাধিক চাষি  » «   হাওরের ফসলের ন্যায্য দাম মিলছে না  » «   আজ থেকে কলেজে ভর্তির আবেদন, চলবে ২৪ মে পর্যন্ত  » «   ঘরে ঘরে সেহরি পৌঁছে দেবে ড্রোন  » «   কোটার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ  » «   গুগল অ্যাসিসট্যান্টে ফোনকলসহ বিভিন্ন ফিচার  » «   শেষ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ বাতিল  » «   সাকিবদের আরেকটি দুর্দান্ত জয়  » «   মিয়ানমারের প্রতি নিরাপত্তা পরিষদঃ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করুন  » «   শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন মাহাথির মোহাম্মদ  » «  

আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে সম্পন্ন হলো মুন্নির বিয়ে

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
দশ বছর আগে অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছিল বিপাশা আক্তার মুন্নিকে। এরপর থেকে তার আবাস ছিল সিলেটে সমাজসেবা অধিদফতর পরিচালিত শিশু পরিবারে (সেফ হোম)। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার। শুক্রবার সেখানেই জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে মুন্নি।
সিলেট নগরীর রায়নগরস্থ শিশু পরিবারে আয়োজন করা হয় মুন্নির বিয়ের। তার বর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বুড়াখালি রাজনগর গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদের ছেলে আব্দুল লতিফ (২৭)। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বরযাত্রী নিয়ে শিশু পরিবারে আসেন আব্দুল লতিফ। বিয়েতে তিনশ’ অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। মুন্নির বিয়েতে সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
সমাজসেবা অধিদফতর সিলেটের উপ-পরিচালক নিবাস রঞ্জন দাস এবং শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জয়তি দত্ত অতিথিদের স্বাগত জানান। অতিথিরা মুন্নির জন্য শাড়িসহ বিভিন্ন পণ্য এবং অর্থ উপহার প্রদান করেন। সবার উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনে বিপাশা আক্তার মুন্নিকে নিয়ে সুনামগঞ্জে ফিরে যান বর আব্দুল লতিফ।
শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জয়তি দত্ত জানান, মুন্নির বিয়ের জন্য কোনকিছুর কমতি রাখা হয়নি। জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে সকল ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়। মুন্নির বিয়ের জন্য তার বরের বাড়িতে গিয়ে সবকিছু দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বরের পরিবারের সদস্যরাও শিশু পরিবারে এসে মুন্নিকে দেখে যান।
শিশু পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দশ বছর আগে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে বিপাশা আক্তার মুন্নিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তখন তার বয়স ছিল প্রায় আট বছর। ওই সময় মুন্নি শুধু নিজের নাম এবং বাবার নাম জামাল মিয়া বলতে পারত। প্রথমে তাকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়। পরে শিশু পরিবারে ঠিকানা হয় মুন্নির।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook2Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: