মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে সম্পন্ন হলো মুন্নির বিয়ে

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
দশ বছর আগে অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছিল বিপাশা আক্তার মুন্নিকে। এরপর থেকে তার আবাস ছিল সিলেটে সমাজসেবা অধিদফতর পরিচালিত শিশু পরিবারে (সেফ হোম)। সেখানেই বেড়ে ওঠা তার। শুক্রবার সেখানেই জাঁকজমকপূর্ণভাবে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছে মুন্নি।
সিলেট নগরীর রায়নগরস্থ শিশু পরিবারে আয়োজন করা হয় মুন্নির বিয়ের। তার বর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বুড়াখালি রাজনগর গ্রামের মৃত আব্দুল আহাদের ছেলে আব্দুল লতিফ (২৭)। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে বরযাত্রী নিয়ে শিশু পরিবারে আসেন আব্দুল লতিফ। বিয়েতে তিনশ’ অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়। মুন্নির বিয়েতে সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ।
সমাজসেবা অধিদফতর সিলেটের উপ-পরিচালক নিবাস রঞ্জন দাস এবং শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জয়তি দত্ত অতিথিদের স্বাগত জানান। অতিথিরা মুন্নির জন্য শাড়িসহ বিভিন্ন পণ্য এবং অর্থ উপহার প্রদান করেন। সবার উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কনে বিপাশা আক্তার মুন্নিকে নিয়ে সুনামগঞ্জে ফিরে যান বর আব্দুল লতিফ।
শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক জয়তি দত্ত জানান, মুন্নির বিয়ের জন্য কোনকিছুর কমতি রাখা হয়নি। জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের আয়োজনে সকল ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হয়। মুন্নির বিয়ের জন্য তার বরের বাড়িতে গিয়ে সবকিছু দেখে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বরের পরিবারের সদস্যরাও শিশু পরিবারে এসে মুন্নিকে দেখে যান।
শিশু পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় দশ বছর আগে সুনামগঞ্জের দিরাই থেকে বিপাশা আক্তার মুন্নিকে উদ্ধার করে পুলিশ। তখন তার বয়স ছিল প্রায় আট বছর। ওই সময় মুন্নি শুধু নিজের নাম এবং বাবার নাম জামাল মিয়া বলতে পারত। প্রথমে তাকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়। পরে শিশু পরিবারে ঠিকানা হয় মুন্নির।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: