মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
সিম রেজিস্ট্রেশনে আর কাগজ-কলম লাগবে না  » «   টাইফুন ‘জেবি’র আঘাতে লণ্ডভণ্ড জাপান, নিহত ৯  » «   রোনালদোর বেতন তিন গুণ বেশি!  » «   দ্বিতীয়বার সিলেটের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন আরিফ  » «   যে নামগুলো পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করবেন না  » «   ট্রাম্পের ‘প্যান্ট’ খুলে দিল যে বই  » «   নিরাপদ সড়ক আন্দোলন: ঘটনাই ঘটেনি, মামলা করে রেখেছে পুলিশ  » «   ‘অ্যাওয়ে গোল’ বাতিল করো, দাবি মরিনহো-ওয়েঙ্গারদের  » «   শহিদুলকে প্রথম শ্রেণির বন্দীর সুবিধা দিতে নির্দেশ  » «   আরপিও সংশোধন নিয়ে নির্বিকার নির্বাচন কমিশন  » «   মাহাথিরের রসিকতায় শ্রোতাদের মধ্যে হাসির রোল!  » «   দেশের বাইরে রান করাটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখি : মুশফিক  » «   দুর্দান্ত জয়ে সিপিএলের শীর্ষে মাহমুদুল্লাহরা  » «   খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে বিএনপির ২ দিনের কর্মসূচি  » «   আদালতকে খালেদা জিয়া : ‘আমার অবস্থা খুবই খারাপ’  » «  

রোজা রেখেও ফাইনাল খেলবেন তারা

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
যে কোন খেলার চেয়ে ফুটবল একটু বেশি পরিশ্রমের। আর এই খেলার জন্য যদি কেউ রোজা রেখে মাঠে নামেন, তাহলে ব্যপারটা কী দাড়াবে বলেন তো? তবে ব্যপারটা যাই দাড়াক না কেন, এবার চ্যাম্পিয়ানস লিগের ফাইনালে সেটাই দেখা যাবে। এই ফাইনাল হবে আগামি ২৬ মে।
তখন চলবে পবিত্র রমজান মাস। শুধু তা-ই নয়, কিয়েভে যখন ফাইনালটি চলবে, তখনো ইফতারির সময় হবে না। স্থানীয় সময়ে সূর্যাস্ত যখন হবে, ততক্ষণে খেলা শুরুর বাঁশি বাজবে। খেলা চলার মধ্যেই হয়ে যাবে ইফতারের সময়।
এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে রোজার প্রসঙ্গটি জোড়ালোভাবে আসার কারণ হলো, দুই দলে অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা ধর্মপ্রাণ মুসলিম। তারা রোজা রেখে খেললে কতটা প্রভাব পড়বে, এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইউরোপের একসময়ের সেরা দল লিভারপুল ১৩ বছর ধরে এই ট্রফিটা জেতেনি। ফাইনালেই তারা উঠল ১১ বছর পর। এই ট্রফি নিয়ে তাঁদের আকাঙ্ক্ষা বেশি তীব্র। আশাও বেশি, বিশেষ করে মোহাম্মদ সালাহ যে জাদুকরী ফুটবলটা খেলছেন। সালাহর কারণে রোজার প্রসঙ্গটি উঠবে আরও বেশি করে। কারণ সালাহ খুবই ধর্মপরায়ণ।
শুধু সালাহ নয়, লিভারপুলের আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় সাদিও মানে ও মিডফিল্ডার এমেরে কান ধর্মপরায়ণ মুসলিম। রিয়ালের স্কোয়াডেও মুসলিম আছেন দুজন। করিম বেনজেমা আর আশরাফ হাকিমি। হাকিমির একাদশে থাকার সম্ভাবনা কম। সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে জোড়া গোলের পর বেনজেমাকে বসিয়ে রাখার প্রশ্নই আসে না। বেনজেমাও নামাজ-রোজা পালন করেন। হজ ও উমরাহ পালন করতেও দেখা গেছে তাকে।
ইউরোপের এই ফুটবলারদের রোজা রাখার প্রসঙ্গটি প্রতিবছরই আসে। প্রত্যেক রোজাতেই তো তাদের খেলতে হয়। তবে বিশ্বব্যাপী ততটা আলোচিত হয় না, যতটা আলোচিত হয়েছিল ২০১৪ বিশ্বকাপের সময়। এমনিতে ব্রাজিলের গরমে লম্বা দিনের কারণে বিশেষ পানি পানের বিরতি পর্যন্ত চালু করতে হয়েছিল। ওই সময় রোজাও শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবারও প্রসঙ্গটি আলোচিত হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল বলে।
শীর্ষ ফুটবলে খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাস তাদের ফিটনেসের রুটিনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। দুটি ক্লাবের খেলোয়াড়দেরই খাওয়ার সময় এবং কী খাবেন—তা নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা। পুষ্টি গ্রহণের মাত্রাও আলাদা করে বেঁধে দেওয়া। সালাহ-বেনজেমেরা কি রোজা রেখেই ফাইনালটি খেলবেন? এ নিয়ে এখনই অনেকের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। যদিও তাঁরা নিজেরা এখনো এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook
Facebook
0Share on Google+
Google+
0Tweet about this on Twitter
Twitter
Share on LinkedIn
Linkedin
Email this to someone
email
Print this page
Print

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: