সোমবার, ২১ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মৌলভীবাজারে জামাতার হাতে শাশুড়ি খুন  » «   রামাদান  » «   রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার থেকে সিয়াম শুরু  » «   বিশ্বরাজনীতিতে নতুন স্নায়ুুযুদ্ধ  » «   যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিবীয়দের সঙ্গে টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশ  » «   মধুচাষে স্বাবলম্বী মৌলভীবাজারের ৪ শতাধিক চাষি  » «   হাওরের ফসলের ন্যায্য দাম মিলছে না  » «   আজ থেকে কলেজে ভর্তির আবেদন, চলবে ২৪ মে পর্যন্ত  » «   ঘরে ঘরে সেহরি পৌঁছে দেবে ড্রোন  » «   কোটার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ  » «   গুগল অ্যাসিসট্যান্টে ফোনকলসহ বিভিন্ন ফিচার  » «   শেষ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ বাতিল  » «   সাকিবদের আরেকটি দুর্দান্ত জয়  » «   মিয়ানমারের প্রতি নিরাপত্তা পরিষদঃ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করুন  » «   শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন মাহাথির মোহাম্মদ  » «  

রোজা রেখেও ফাইনাল খেলবেন তারা

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
যে কোন খেলার চেয়ে ফুটবল একটু বেশি পরিশ্রমের। আর এই খেলার জন্য যদি কেউ রোজা রেখে মাঠে নামেন, তাহলে ব্যপারটা কী দাড়াবে বলেন তো? তবে ব্যপারটা যাই দাড়াক না কেন, এবার চ্যাম্পিয়ানস লিগের ফাইনালে সেটাই দেখা যাবে। এই ফাইনাল হবে আগামি ২৬ মে।
তখন চলবে পবিত্র রমজান মাস। শুধু তা-ই নয়, কিয়েভে যখন ফাইনালটি চলবে, তখনো ইফতারির সময় হবে না। স্থানীয় সময়ে সূর্যাস্ত যখন হবে, ততক্ষণে খেলা শুরুর বাঁশি বাজবে। খেলা চলার মধ্যেই হয়ে যাবে ইফতারের সময়।
এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে রোজার প্রসঙ্গটি জোড়ালোভাবে আসার কারণ হলো, দুই দলে অন্তত পাঁচজন খেলোয়াড় আছেন, যাঁরা ধর্মপ্রাণ মুসলিম। তারা রোজা রেখে খেললে কতটা প্রভাব পড়বে, এ নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইউরোপের একসময়ের সেরা দল লিভারপুল ১৩ বছর ধরে এই ট্রফিটা জেতেনি। ফাইনালেই তারা উঠল ১১ বছর পর। এই ট্রফি নিয়ে তাঁদের আকাঙ্ক্ষা বেশি তীব্র। আশাও বেশি, বিশেষ করে মোহাম্মদ সালাহ যে জাদুকরী ফুটবলটা খেলছেন। সালাহর কারণে রোজার প্রসঙ্গটি উঠবে আরও বেশি করে। কারণ সালাহ খুবই ধর্মপরায়ণ।
শুধু সালাহ নয়, লিভারপুলের আরও দুই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় সাদিও মানে ও মিডফিল্ডার এমেরে কান ধর্মপরায়ণ মুসলিম। রিয়ালের স্কোয়াডেও মুসলিম আছেন দুজন। করিম বেনজেমা আর আশরাফ হাকিমি। হাকিমির একাদশে থাকার সম্ভাবনা কম। সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে জোড়া গোলের পর বেনজেমাকে বসিয়ে রাখার প্রশ্নই আসে না। বেনজেমাও নামাজ-রোজা পালন করেন। হজ ও উমরাহ পালন করতেও দেখা গেছে তাকে।
ইউরোপের এই ফুটবলারদের রোজা রাখার প্রসঙ্গটি প্রতিবছরই আসে। প্রত্যেক রোজাতেই তো তাদের খেলতে হয়। তবে বিশ্বব্যাপী ততটা আলোচিত হয় না, যতটা আলোচিত হয়েছিল ২০১৪ বিশ্বকাপের সময়। এমনিতে ব্রাজিলের গরমে লম্বা দিনের কারণে বিশেষ পানি পানের বিরতি পর্যন্ত চালু করতে হয়েছিল। ওই সময় রোজাও শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবারও প্রসঙ্গটি আলোচিত হচ্ছে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল বলে।
শীর্ষ ফুটবলে খেলোয়াড়দের খাদ্যাভ্যাস তাদের ফিটনেসের রুটিনের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। দুটি ক্লাবের খেলোয়াড়দেরই খাওয়ার সময় এবং কী খাবেন—তা নির্দিষ্ট ছকে বাঁধা। পুষ্টি গ্রহণের মাত্রাও আলাদা করে বেঁধে দেওয়া। সালাহ-বেনজেমেরা কি রোজা রেখেই ফাইনালটি খেলবেন? এ নিয়ে এখনই অনেকের মধ্যে কৌতূহল দেখা দিয়েছে। যদিও তাঁরা নিজেরা এখনো এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook1Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: