সোমবার, ২১ মে ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
মৌলভীবাজারে জামাতার হাতে শাশুড়ি খুন  » «   রামাদান  » «   রমজানের চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার থেকে সিয়াম শুরু  » «   বিশ্বরাজনীতিতে নতুন স্নায়ুুযুদ্ধ  » «   যুক্তরাষ্ট্রে ক্যারিবীয়দের সঙ্গে টি-২০ সিরিজে বাংলাদেশ  » «   মধুচাষে স্বাবলম্বী মৌলভীবাজারের ৪ শতাধিক চাষি  » «   হাওরের ফসলের ন্যায্য দাম মিলছে না  » «   আজ থেকে কলেজে ভর্তির আবেদন, চলবে ২৪ মে পর্যন্ত  » «   ঘরে ঘরে সেহরি পৌঁছে দেবে ড্রোন  » «   কোটার প্রজ্ঞাপনের দাবিতে ফের বিক্ষোভ  » «   গুগল অ্যাসিসট্যান্টে ফোনকলসহ বিভিন্ন ফিচার  » «   শেষ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ বাতিল  » «   সাকিবদের আরেকটি দুর্দান্ত জয়  » «   মিয়ানমারের প্রতি নিরাপত্তা পরিষদঃ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করুন  » «   শপথ নিয়ে ইতিহাস গড়লেন মাহাথির মোহাম্মদ  » «  

বজ্রপাতের সময় ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না

ফিচার ডেস্কঃ
চলছে বৈশাখ মাস। কাল বৈশাখী ঝড়ের সময়। আর এই সময়ের একটি বড় আতঙ্কের নাম বজ্রপাত। প্রতিবছর বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। এরইমধ্যে সরকার সারা দেশে ১০ লাখ তালগাছ রোপন করে বজ্রপাত মোকাবিলার পরিকল্পনা করছে। বিজ্ঞানীদের মতে, আকাশে যে মেঘ তৈরি হয়, তার ২৫ থেকে ৭৫ হাজার ফুটের মধ্যে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে বেশি। বজ্রপাতের গতি প্রতি সেকেন্ডে ৬০ হাজার মিটার বেগে নিচে নেমে যায়।
অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো এটিও একটি নিয়ন্ত্রণহীন দুর্যোগ। কাজেই এ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তি পাওয়া হয়তো কখনোই সম্ভব নয়। তারপরও কিছু বৈজ্ঞানিক সতর্কতামূলক পন্থা রয়েছে। যেগুলো অনুসরণ করলে কিছুটা হলেও বজ্রপাত এড়িয়ে মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব-
১) ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।
২) নদীতে নৌকায় অবস্থান করলেও পানি থেকে সরে আসতে হবে এবং নৌকার ছাউনিতে ঢুকে পড়তে হবে।
৩) কোথাও বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের আশংকা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।
৪)বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব গাড়ি থেকে বেরিয়ে পাকা কোনো বাড়ির ছাউনি কিংবা বারান্দায় অবস্থায় নেওয়া।
৫) বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।
৬) বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়।
৭) বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook2Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: