শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ |
শিরোনাম
বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: শেষ মূহুর্তের দুই গোলে চমক দেখালো ব্রাজিল  » «   বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ঃ আর্জেন্টিনাকে ৩ গোলে বিধ্বস্ত করে দ্বিতীয় রাউন্ডে ক্রোয়েশিয়া  » «   ওয়ার্ল্ড কাপ ২০১৮: নক আউট পর্বের আশা বাঁচিয়ে রাখলো স্পেন  » «   হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়া-ডেনমার্ক ম্যাচ ড্র  » «   মেসি সর্বকালের সেরা: রাকিটিচ  » «   বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮: রোনালদোর গোলে দ্বিতীয় রাউন্ডের পথে পর্তুগাল  » «   বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ঃ সৌদি আরবকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উরুগুয়ে  » «   কমলগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি আরো ভয়াবহঃ তিনজনের লাশ উদ্ধার  » «   নগরীতে বন্ধুদের ছুরিকাঘাতে কিশোর খুন  » «   বাংলাদেশী নাজমা খানের আহ্বানে হিজাব পরছেন অন্য ধর্মাবলম্বীরাও  » «   কেমন আছেন সালাহ?  » «   সিলেট সিটি নির্বাচন ৩০ জুলাই  » «   তৃতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংস  » «   নগরীর অভিজাত শপ-রেস্টুরেন্টে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা  » «   রাশিয়ার মিসাইলেই বিধ্বস্ত হয় মালেশিয়ার বিমান: তদন্ত দল  » «  

হাওরের ফসলের ন্যায্য দাম মিলছে না

সিলেট সংলাপ ডেস্কঃ
গত বছর ঢলের পানিতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল হাওরবাসী। সেই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এ বছর ফের ফসল ফলানোয় মন দেন তারা। তার ফলও মিলেছে, উৎপাদন হয়েছে ব্যাপক। কিন্তু উৎপাদন ভাল হলেও ফসলের ন্যায্য দাম পাচ্ছে না কৃষকরা। ফলে আবারও ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাওরবাসী।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন হাওরবাসীদের উন্নয়নে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা হাওর অ্যাডভোকেসি প্লাটফরম (হ্যাপ)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছর হাওরাঞ্চলে ধানের উৎপাদন ভাল হয়েছে। কিন্তু কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।
সংস্থাটির মতে, গত বছর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাওরাঞ্চলের মানুষ তাদের উৎপাদিত ফসল ঘরে তুলতে পারেন নি। চলতি বছর বাঁধ নির্মাণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করায় সেখানে বিপুল পরিমাণ ধান উৎপাদন হয়েছে। কিন্তু সরকারিভাবে ধান না কেনায় কৃষকরা উৎপাদিত ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না।
লিখিত বক্তব্যে হ্যাপের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান শরিফ বলেন, হাওর অঞ্চলে ৭টি জেলা রয়েছে। সেখানকার মানুষের জীবিকা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য নির্ভরশীল তাদের উৎপাদিত ধানের উপর। সরকার প্রতি মন ধানের দাম ১ হাজার ৪০ টাকা দামে নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু কিছুদিন ধরেই কৃষকরা প্রতি মন ধান সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে প্রায় ৩০০ টাকা কমে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে কৃষক শুধু ঠকছেনই না, পাশাপাশি আরও ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছেন। কারণ এখানকার অধিকাংশ মানুষই গরিব হওয়ায় চাষাবাদের জন্য তাদের কোনো না কোনো সংস্থা থেকে ঋণ নিতে হয়। এ অবস্থায় সরকার নির্ধারিত মূল্য না পেলে কৃষকরা আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
সংবাদ সম্মেলনে বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে আছে- সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকরা কীভাবে ধান বিক্রি করতে পারবে তার উপায় বের করা, ভাটির উঁচু-নিচু ক্ষেতগুলোকে সমতল করা, আগামী ২ মাসের জন্য প্রতিটি গ্রামে অস্থায়ী গোডাউন নির্মাণ করা এবং কৃষি কার্ডের ভিত্তিতে কৃষককে সমস্ত সুবিধা দেয়া।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হ্যাপের যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান শরিফ, ঢাকাস্থ সুনামগঞ্জ সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মেনন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট আলাউদ্দিন, ঢাকাস্থ কিশোরগঞ্জ সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক, হাওর বাঁচাও আন্দোলনের আহ্বায়ক চিত্তরঞ্জন প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
Share on Facebook2Share on Google+0Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn0Email this to someonePrint this page

সর্বশেষ সংবাদ

Developed by: